সকালের দোয়া ও জিকির আল্লাহর স্মরণে দিন শুরু করতে সাহায্য করে। ফজরের পর কয়েক মিনিট সময় নিয়ে দোয়া পড়ুন এবং অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। আপনার শহরের নামাজের সময় দেখে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে এই অভ্যাসের সময় মিলিয়ে নিন।
সকালের আযকার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়ে, তাকে সব কিছু থেকে যথেষ্ট করা হয়। বাংলাদেশে অনেক পরিবার ফজরের পর সবাই মিলে ১০–১৫ মিনিট বসে আযকার পড়ে — বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে, দাদা-দাদি একসাথে।
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ
Asbahna wa asbahal-mulku lillah, walhamdu lillah, la ilaha illallahu wahdahu la sharika lah
আমরা সকালে প্রবেশ করলাম এবং সমস্ত রাজত্ব আল্লাহর; সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই।
(মুসলিম ২৭২৩)
ফজরের পর কীভাবে শুরু করবেন
- ফজরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করুন — ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ১৮° পদ্ধতিতে আপনার শহরের সময় মিলিয়ে নিন
- আয়াতুল কুরসি একবার পড়ুন
- সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস — প্রতিটি তিনবার
- «আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা» ও «বিসমিল্লাহিল্লাজী লা ইয়াদুরু...» — সুরক্ষার দোয়া
- দিনের কাজে বের হওয়ার আগে দুই রাকাত সুন্নত (যদি সময় থাকে) বা কমপক্ষে দোয়া
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট — ব্যবহারিক পরামর্শ
গ্রীষ্মে ফজর খুব তাড়াতাড়ি, শীতে একটু দেরি — তাই ফোনে নামাজের সময়সূচি রাখা জরুরি। নদী-পাড়ের গ্রামে অনেকেই ফজরের পর নৌকায় ওঠার আগে এই দোয়াগুলো পড়েন — এটাই বাংলাদেশের জীবনযাপনের সঙ্গে মিল রেখে ইবাদত।
নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয়।